Showing posts with label Life. Show all posts
Showing posts with label Life. Show all posts

Friday, 22 March 2024

एहसास

हम गरीबो को इतनी नसीब कहाँ
के लोग पूछे बिना ही हाज़िर हो जाये
बात ज़ुबां पे आके रुकी हो फिर भी
पूछे बिना हमे बताया कहाँ जाये!
थोड़ा दर्द दिखा मुझे इन गलियों में ग़ालिब
जो रास्ता दूर से गुज़रती हुयी दिल तक पहुँचती है
दिख रहा है साफ़ आइनों की तरह
दिखाना चाहते हो खोल के या छुपाके इंतज़ार करें?
बोलते हम भी थे बहुत एक ज़माने में
आँखों के आइने आज हमे बेज़ुबान बना दिया
बात कुछ भी हो, ग़म छुपाते है
दोस्त बैठा हो जब सुनने को तैयार, उसे ऐसे जाने देना ज़ुल्म कहलाते है
नाम न पुछुं तो ही बेहतर है इन हालातो में
दीवारों की बेवफाई को नाम न दूँ किसी इंसान का
ज़िन्दगी देती कितनी सी है हम दीवानो को
लुटाते है हम उससे काफी ज़्यादा अफ़्सानो की चाहत में
ग़म छुपा के न जियो दोस्त मेरे
ग़म भुलाके न जियो
खुशबू-ए-दर्द सीनो को महकाते रहे
ग़म को जी भर के जियो


Friday, 14 December 2018

স্মৃতিক্ষত

কত কথা থেকে যায়, বলা হয় না
কিছু নেই লুকোনোর, সব তুমি ঘিরে
তবু অভিমানে স্মৃতিক্ষত লুকোয় খোলামকুচি
তুমি ভাবো গোপন বুঝি
সন্দেহ গাঢ় করো নিষ্প্রয়োজনে
আমারও বেদনা বাজে অতীতের ছায়া
যেদিন লুকিয়েছিলে তুমি অকারণে
মনে মনে দামামার পরিনতি সব
দূরে যাওয়া মিছিমিছি দ্বন্দ্বের মাঝে
অর্থহীন বিবাদের নেই কোনো দাম
সে দাম শুধুই আছে তুমি আছো বলে

Friday, 27 October 2017

চতুর্থ বাঁকের পরের রাস্তাটা

এলোমেলো হাঁটছি এখন,
গড়িয়ে গড়িয়ে নুড়ির মত।
মত্ত পায়ে ঠোক্কর খাচ্ছি আর খুঁজছি
চতুর্থ বাঁকের পরের রাস্তাটা।
যখন হাঁটা শুরু করেছিলাম
সেই আধ ঘন্টা আগে বোধ হয়,
কিংবা ঘন্টা দুয়েক,
মনে করতে পারছি না এখন আর-
স্মৃতি তালগোল পাকিয়ে কাদার মত থকথকে হয়ে উঠছে।
যা বলছিলাম, যখন হাঁটা শুরু করেছিলাম
খুঁজছিলাম একটা ঠিকানা,
অথচ পাচ্ছিলাম না-
কেউ একজন এগিয়ে এসে বলেছিল,
চতুর্থ বাঁকের পরের রাস্তাটা নিতে হবে।
তারপর থেকে খুঁজে চলেছি,
কতগুলো বাঁক গেলে পরে চতুর্থ বাঁকটা পাব-
মনে পড়ছে না আর এখন।
নেশা কেটে যাচ্ছে বারবার,
তবু চার দেয়ালের মধ্যিখানে ঘুরছি,
একই জায়গায়
একই বৃত্তের ভিতর,
চতুর্থ বাঁকের পরের রাস্তাটা খুঁজে পাচ্ছিনা।
খুঁজে দেবেন আমায়?

Friday, 4 March 2016

মুখুজ্যে মহিমা: শকট সংশয়

অনেকদিন হলো পেটের মধ্যে কথাটা কিলবিল করছে। না পারছি গিলতে না পারছি বলতে। বলতে না পারার কারণ হলো চরম লজ্জা। আর গিলতে না পারার কারণটা ....... না হে, এভাবে বলা যাবে না। দাঁড়াও বাপু, তাহলে খুলেই বলি।

গাড়ি এসেছে, দু একটি বিক্ষিপ্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা বাদ দিলে আমি বেশ ভালই চালাচ্ছি।ভালো মানে এই ধর বাজার করতে যাচ্ছি (অবশ্যই মলে, কারণ প্রকৃত অর্থে যাকে বাজার বলে সেখানে গাড়ি নিয়ে যাবার ধৈর্য বা সাহস কোনটিই আমার নেই), অফিসে যাচ্ছি, পাশের পাড়ায় রিহার্সাল দিতে যাচ্ছি ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু কথায় আছে না, খাচ্ছিল তাঁতি তাঁত বুনে, কাল হলো তার হেলে গরু কিনে, আমার হলো তাই।

একদিন শখ হলো পাওয়াই যাব। আসলে জায়গাটার সাথে এমনিতেই একটা পুরনো সম্পর্ক আছে, তার সাথে আবার আমার এক বন্ধু সবে পিতৃত্ব লাভ করেছে এবং তার স্ত্রী ও সদ্যোজাত শিশুপুত্র পাওয়াইয়ের একটি হাসপাতালে আছে। তা চললাম অফিসের পর, সাথে আছে দুই বন্ধু, ঝামেলা কিছু হবে না। গাড়ি চলল গড়গড়িয়ে। অফিস থেকে বেরিয়ে সদর রাস্তা ধরে তারপর যানজট পার করে খাঁড়ির সেতু পেরিয়ে মূল মুম্বাই শহরে তো পৌছে গেলাম। উফ, কি যে আত্ম-গৌরব আর ততোধিক আনন্দ সে আর কি করে বলব। আমার সাথে যে দুই বন্ধু ছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন আমার সাথেই গাড়ি শিখেছিলেন। তিনি কিন্তু এখনো এতদূর গাড়ি আনেন নি। তাই তাঁর সামনে আমি তখন বামনরূপী শ্রীবিষ্ণু। পেট থেকে তিন নম্বর পা বের করে বাকি দুই বন্ধুর মাথায় রেখে আকাশ ফুঁড়ে দাঁড়িয়ে আছি। কিন্তু পথ তখনও বাকি ছিল।

এক্সপ্রেসওয়ে ধরে আমার গাড়ি পাওয়াই পৌছল। উঁচু নিচু ফ্লাইওভার ধরে আমার সেই প্রিয় পুরনো শহরতলি। পেটের ভেতর কবিতা গুঁতো মারবে মারবে করছে এমন সময় ঘটনাটা ঘটল। সামনে একটা গাড়ি, সাদা রং এর মারুতি সুইফট ডিজায়ার। বেশ ছুটছিল, হঠাত সিগনাল দেখে "গঁত" করে বেঁকে দাঁড়িয়ে গেল। আর আমিও টাল সামলাতে না পেরে ইংরেজি ছবির মত দিয়েছি সেটাকে ঠুকে। ব্যাস, আর যায় কোথায়!

রাস্তায় যানজট, চারিদিক থেকে ভেঁপু বাজছে, লোকজন চেঁচাচ্ছে, আর সামনে থেকে স্বয়ং যমরাজ হেঁটে আসছেন। আমি আর কি বলব, পটল দিয়ে সিঙ্গি মাছের ঝোল খাওয়া বাঙালি, হাত পাগুলো পেটের ভেতর সেঁধিয়ে যাচ্ছে। এমন মুখ্যু, যে জানালার কাঁচটা পর্যন্ত বন্ধ করি নি। যমরাজ এলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন। মানে জানালা দিয়ে হাত ঢোকালেন, গাড়ি থেকে চাবি খুলে নিলেন এবং অশ্রাব্য গালি দিয়ে নিজের গাড়িতে চড়ে  বসলেন। আমাদের তো মাথায় হাত। "দৌড় , দৌড়"... তাঁর কাছে গিয়ে দেখি আর এক কান্ড। তাঁর পত্নীদেবী সামান্য আহত হয়েছেন আমার ঠোক্করে, আর যমরাজ আমায় গালি দিয়েই চলেছেন। অনেক কষ্টে তাঁদের বোঝাই যে আমি শিক্ষানবিশ মাত্র, আমার কোনো উদ্দেশ্য ছিলনা তাঁর গাড়িতে ধাক্কা মারার। দেবী তবু একটু নরম, তাঁর কথাতেই আমরা চললাম নিকটস্থ হাসপাতালে। সেখানে গিয়ে যাবতীয় কাজকর্ম, দেবীর তাত্ক্ষণিক চিকিত্সা ইত্যাদির খরচ বহন করলাম। যমরাজ কিন্তু বকেই চলেছেন, এমনকি মাঝে মাঝে শাসাচ্ছেন যে তিনি কোনো এক বিখ্যাত দৈনিক এর সম্পাদক এবং চাইলে কালই আমার নামে কেস ঢুকে দেবেন এবং আমাকে মিডিয়া দিয়ে উত্যক্ত করে তুলবেন। আমি তো তাঁর গাড়ির ক্ষতি শুধু করিনি, তাঁর স্ত্রীর আঘাত লেগেছে, আর তাঁকে পাঁচদিন গাড়ি দোকানে রাখতে হবে, তাঁকে গাড়ি ভাড়া করে অফিস যেতে হবে, তাতেও বেজায় খরচ। তখনও বুঝিনি এ আমি কার পাল্লায় পড়েছি, যদিও বোঝা উচিত ছিল

যমরাজের পিতাশ্রী এলেন, বৌমাকে নিয়ে বাড়ি গেলেন। আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, কি হয়েছিল, আমি সহজ উত্তর দিলাম মুখ কাঁচুমাচু করে যে নতুন গাড়ি চালাচ্ছি তাই ব্রেকের জায়গায় এক্সেলারেটার চেপে ফেলেছি। তিনি খুবই দয়াপরবশ হয়ে বললেন, "হতেই পারে। যাক গে, বেশি কিছু হয়নি সেটাই রক্ষে।" বৌদিমনিকে যারপরনাই বিনয়ে বললাম আমায় ক্ষমা করে দিন আমার অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য, তিনিও বললেন, "না না ঠিক আছে"। কিন্তু তারপর যা বললেন, সেটি ভয়ংকর, "আমি তো কিছু বলছি না, কিন্তু আমার স্বামী লোকটি মাথাগরম, যান, ওঁকে  শান্ত করুন"

বলে কি! শান্ত করুন মানে? উনি কি সত্যি যমরাজ নাকি তান্ডব নাচা মহাদেব!

বৌদিমনি যে ভুল বলেননি, সেটা প্রমান হল শ্বশুর আর বৌমা বাড়ি যাওয়ার পরে। যমরাজ আরেকজনকে ডেকে আনলেন, ইনি ছোট যমরাজ। বয়সে ছোট কিন্তু তেজে অনেক বড়। ইনি পাওয়াই অঞ্চলে একজন ছোটখাটো প্রোমোটার এবং এনার সবার সাথে ওঠাবসা, সে পুলিসই হোক বা গুন্ডা। কিন্তু আমরা তো তখনও সেসব জানি না। তিনি এসে দাবি করলেন "দুই পেটি দে"। ও বাবা, সে আবার কি কথা! ভর সন্ধ্যেবেলা খামোখা মাছ কিনে ওনাকে পেটিটাই দিতে যাব কেন? তিনি বুঝলেন আমরা অবোধ বালক বালিকার দল এবং সেখানেই আমাদের... বাকিটুকু উহ্য থাক

আমাদের প্রায় খামচে ধরে টেনে নিয়ে চললেন স্থানীয় থানার দিকে। আমরা বুঝলাম এরা টাকা চাইছে। পাঁচ-দশ হাজারে রফা করব, প্রায় ঠিক করে ফেলেছি আমরা নিজেদের মধ্যে। ভয়ে ভয়ে ওনাদের বলতেই হাসির রোল উঠলো। "তোরা বড় বড় কোম্পানিতে চাকরি করিস, আর পাঁচ-দশ হাজারের কথা বলছিস!" কে ওদের বোঝাবে যে বাইরে থেকে যা মনে হয়, আসল সত্যিটা তার উল্টো! লোকে যখন ভাবে আমি কুয়ালালামপুরে শপিং করছি আমি তখন আসলে কদমতলায় কচু তুলছি।

থানা যে কি বিচিত্র জায়গা, সেদিন বুঝলাম। এ দেশে  টাকার জোর ভয়ানক বস্তু। বড় এবং ছোট যমরাজ পর্যায়ক্রমে পুলিস বাবাজিদের কানে মন্ত্র দিয়ে চললেন, এবং সেটিও স্তরে স্তরে উর্ধপদাবলম্বনে। এবং আশ্চর্যের কথা হলো পুলিস বাবাজিরাও কী সুন্দর টোপটা  গিললেন। আমাকে একখানা লম্বা পাতা ধরানো হল। আমার অসাধারণ মারাঠি বিদ্যেয় তার মানে হল এরকম: "আমি অন্যায় করেছি। এবং তারপর ভীষণ মনোকষ্টে ও বিবেক দংশনে ভুগে আত্মসমর্পণ করতে এসেছি"। বোঝো কান্ড! সে আমি তো কিছুতেই সই করব না, আর তারাও ছাড়বে না। এদিকে সময় বহিয়া যায়, নদীর স্রোতের প্রায়

আমাকে বলা হল বাড়িতে ফোন করতে। আমি বললাম, সে করুন, কিন্তু যেই বাড়ির ঠিকানা শুনলো হাওড়া, দ্বিতীয়বার আর "বাবাকে বলে দেব" গোছের শাসানির উল্লেখ করলো না। বুঝলাম এইভাবে আমাকে ভয় দেখিয়ে টাকা বের করতে পারছে না। আর ঠিক তার পরেই দিল মোক্ষম দাওয়াই। একখানা অন্ধকার ঘরে আমাকে দিল পুরে, আবছা আলোয় বুঝলাম আরেকজনকে বেঁধে রাখা আছে সেখানে, চেয়ারের সাথে দড়ি দিয়ে! ভাবুন অবস্থাখানা! আমি যত চেঁচাই, তত দরজার কাছে মুখ এনে দর দস্তুর করতে থাকে। দুই লাখ  থেকে কমতে কমতে দেড়, এক পঁচিশ, এক অবধি তো এলো কিন্তু আর কমে নামতে চায় না। 

বুঝতে পারছেন? এখনো চলছে সেই অত্যাচার। বিকেলবেলায় যে দুর্ঘটনাটি শুরু হয়েছিল, সেটি এই রাত সাড়ে  দশটাতেও শেষ হয়নি। আমি সত্যি সত্যিই আর পারছি না। খিদের চোটে  আমার নাড়িভুঁড়ি হজম হবার জো, পিলের ব্যথায় চোখে অন্ধকার দেখছি, আর এই দুই যমরাজ মুদির দোকানের দর দস্তুর চালিয়েই যাচ্ছে। আমার তখন বন্ধ হয়ে আসা চোখের পেছনে একটা নরম বিছানা আর গরম গরম ভাতের ছবি নাচছে। ধেত্তেরি নিকুচি করেছে তোদের দর দস্তুর! বল, কত টাকা চাই তোদের? তোর্  দাম, তোর্  ভাইয়ের দাম, তোর্  গাড়ির ক্ষতির দাম, তোর্  পাঁচ দিনের হয়রানির দাম.... বল কত লাগবে? খুব বুঝতে পারছি যে, এই যমরাজ আসলে আমার স্বপ্নে দেখা ধর্মরাজ এর আত্মীয় নন, ইনি স্রেফ মৃত্যুদাতা, পরবর্তী ধর্মের বিচারের ধারে কাছে দিয়ে এনার যাতায়াত নেই। যে মানুষ স্ত্রীর হালকা আঘাতে পুরস্কার পাওয়ার মত অভিনয় করতে পারে, এবং ঠিক তার পরেই স্ত্রীকে বাড়ি পাঠিয়ে পুলিসকে সাথে নিয়ে আমার সাথে দর সস্তুর করতে পারে, সে আর যাই হোক, সোজা মানুষ নয়। 

আর এই দিব্যজ্ঞান লাভের পরেই আমার সংসার, জীবন, যন্ত্রণা ইত্যাদি যাবতীয় জাগতিক বিষয় থেকে মোহ শেষ হয়ে গেল (না, মানে সেই নরম বিছানা আর গরম ভাতটা  বাদে)। টাকা দিলে এই রাক্ষসদের থেকে ছাড়া পাওয়া যাবে? তো দে টাকা। পরশু বোনাস পেয়েছি না? "দেখুন দাদা, আমার কাছে এই পঁচাশিই আছে, এর বেশি নেই। নিতে হয় নিন, নাহলে আমি আর পারব না।" যেন নিমরাজি হয়েছে, এমন একটা ভাব করে বলল দাও আগে। বন্ধুদের পাঠালাম এ টি এম থেকে তুলতে, কারণ একজনের কার্ডে তো এত বেরোবে না। চোখের সামনে টাকার ভাগাভাগি হল, দেখলাম এবং জ্ঞানার্জন করলাম। আমাকে মুক্তি দেওয়া হল রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ

তারপর? তারপর আর কি? এখনো আপনারা পড়ছেন গপ্পোটা?এতক্ষণে তো মনে মনে আমাকে গালাগালি দিয়ে "বোকা" ইত্যাদি বলেছেন নিশ্চয়ই! সে বলুন, আমার দুক্ষু হবে না। শুধু একটা ব্যাপারে আমি খুশি থাকব যে, টাকার মায়া আমাকে বশ করতে পারল না আমাকে আমার সুখী গৃহকোণে ফিরে আসতে, একটা রাতের জন্যও না। এর অনেক পোস্টমর্টেম হতে পারে, অনেক ব্যাখ্যা, অনেক যুক্তি আসতে পারে, কিন্তু আমার সত্যি কিচ্ছু যায় আসে না। কারণ আমি এই ঘটনাটাকেও একটা শিক্ষা ছাড়া অন্য কোনো নাম দিতে পারি না। 

পুনশ্চ: তা বলে ভাববেন না যেন যে আমি এখনো গাড়ি চালাতে শিখিনি। কি, বিশ্বাস হচ্ছে না? আচ্ছা ঠিক আছে, নিজে একবার এসে পরখ করে যান। সামনের রোববার সকালবেলা কি করছেন? যাবেন নাকি একটা লং ড্রাইভে?




Tuesday, 19 January 2016

সময়

সম্পর্ক কেমন যেন কাঁচের বাসনের মত
ঠুনকো, অস্থায়ী বড় 
হালকা হাওয়ায় বা আঙুলের আলতো চাপে ভঙ্গুর 
সময়ের সমীকরণে বদলে বদলে যায় 
এদিকের ঘুঁটি ওদিকের হাতের বাধ্য হয়
মাত্সর্য বিষে জ্বলে যায় মনের শরীর 
গর্জে ওঠা হুঙ্কারে ঢাকে অবচেতনের কান্না 
প্রতিবাদে প্রতিরোধে মুহূর্তে চুরমার 
জেগে ওঠা ব্যথা ধীরে শীতলের পথ ধরে 
স্মৃতি ফিরে আসে তারপর 
থেকে থেকে ডাক দিয়ে যায় 
বিদায়ী সময় চায় একটু আবেগ
ভাঙা কাঁচ জোড়া লাগে সময়ের টানে।


Thursday, 5 November 2015

রেসিপি

অনেকদিনের পুষে রাখা রাগ এক চামচ
না পাওয়া যন্ত্রণা সম পরিমানে
দু-এক টুকরো তাচ্ছিল্য
বড় এক চামচ ছোঁয়াচে কানাকানি
আর একটু স্রোতে গা ভাসানো আনন্দ
তোমার অসহনীয়তার কাপ রেডি 

Thursday, 4 June 2015

সে রাত শুধু

অন্য হাওয়ায় নাম লিখব বলে
অনেক দূরে এলাম এবার চলে
সময় যখন কাঁচা মাটির মত
ইচ্ছেগুলো পাকিয়ে যেন সুতো
মন-পূরণের স্বপ্নগুলো ধরে
সময় আবার যাচ্ছে এখন সরে
সাধ হয় তাদের নামগুলো দিই সোনা
অনেক দিনের আদর দিয়ে বোনা
বিকেলবেলার নরম রোদের টানে
আশকারারা সময় ডেকে আনে
সেই সময়ে ভিজিয়ে নিয়ে হাত
ডাকিয়ে নিলাম টুকরো চাঁদের রাত'
সে রাত থাকুক দূরের শঙ্খচিলে
সে রাত শুধু তোমায় আমায় মিলে
সে রাত জাগুক ভোরের আবছা নীলে
সে রাত শুধু তোমায় আমায় মিলে 

Friday, 23 January 2015

ঘর

একটা দেওয়াল জুড়ে ছবি,
সাদা-কালো মন ছেয়ে আছে-
টেবিলের পাশে গন্ধ-বাতি,
আঁধারে ছায়ার দেহ নাচে।

রান্নাঘরের টুং-টাং,
নতুন চাদর পাতা ঘরে,
ফুলদানিতে জারবেরা
পুরিয়া বাজছে মৃদুস্বরে।

পাটভাঙা পাজামা-পাঞ্জাবি,
শাড়ির আকাশ-ঘন মন,
বাতাসে অল্প মাদকতা,
অবসরে সুখী গৃহকোণ।

বন্ধুরা নিমন্ত্রিত সব,
একে একে গাড়ির মিছিল,
শহুরে শৌখিনতা
মনের ভেতর গাংচিল।

দুটি মন বেঁধেছে সংসার,
দুটি হাতে হাত ধরে থাকা,
দুটো রাত কৌতুহলী,
দুটো দিন একেবারে একা।

অনেক বসন্ত হলে পার,
এই ঘরে দুই বুড়ো-বুড়ি,
অনেক ধুলোর মাঝে বলা-
চল আবার ঘর শুরু করি।


Wednesday, 7 November 2012

Assorted Overflowing Emotions

To be an adult, is to be alone
~ Epictetus

All of our reasoning ends in surrender to feeling.

~Blaise Pascal

Continuous effort - not strength or intelligence - is the key to unlocking our potential.

~Winston Churchill

Loneliness

Missing Question

Play House

Love

Tuesday, 4 September 2012

আমি


















ঘুম ভেঙে দেখি আজ অঝোর আকাশ
পর্দা দুলছে মিঠে বাতাসের শ্বাস 
বহুদূরে কারো ঘরে ভৈরবী সুর 
আঁধারের বুক ছিঁড়ে বৃষ্টি নূপুর।

মুখ ভার তবু তাকে বড় ভাল লাগে 
কালো মেয়ে ঝরে ঝরে তাই রাত জাগে 
সকাল হয়েছে আজ তবু মেয়ে জয়ী 
আলো ফোটা ভোর নয়, শ্যামা মোহময়ী।

ও বাড়ির ছাতে দুটো কাক ভিজে স্নান 
তবু খোঁজে দুজনেই উত্তাপ-প্রাণ 
অলস বারান্দায় এক-দুই-তিন 
দিনলিপি হারিয়েছে আজকের দিন।

নিয়মের বাঁধা ছকে বাধা দিল কেউ 
ভাবনার সাগরে নীড়ভাঙা ঢেউ 
আজ কেউ ডাকবে না, নেই কোনো তাড়া 
আমি ডাকব যাকে, সেই দেবে সাড়া।

এইভাবে একদিন ভোর হোক তবে 
যেদিন আমার টানে বৃষ্টিটা হবে 
আমার জীবন হবে আমার একার 
আমার জীবন হবে আমায় দেখার।

সুখী হোক সেই দিন সুখী হোক ভোর 
আমার জীবনকাঠি জীবনের ডোর 
একা নীল পৃথিবীতে একা আমি এই
নিজের জগতে তাই দোকা কেউ নেই।



Thursday, 10 March 2011

Mukti


                                                                           

BARRED

















A matchstick in mouth,
Holding it by teeth,
The same old torn hat and,
The quest as I breathe.

Thought of a journey,
Till I find sea,
The sea where the geese are,
The place is for me.

She wanted to come with,
But you know by now,
Leaving a home means,
A field not to plough.

So I took myself,
With some tits and bits,
Will buy some happiness,
From someone who meets.

Devoid of any longings,
Anything to hold,
I must go to the sea,
Too firm and too bold.

Then a long voyage,
Would start to be lost,
Through the high icebergs,
And Snows and the frost.

Thought of that and then,
I struck by my heart,
Who will be warmth then,
She asked at the start.

Wondered by her question,
As I looked back,
Found me in the same home,
Like old books in rack.

Sitting in the couch,
Then I realise,
Wonderlust is not that I want,
To be that precise.

So I Stopped thinking,
About dreams absurd,
Thought of that person,
Who stopped me and barred.

Something within her,
Did all these to me,
Could not I set off,
My journey to sea.



Sunday, 30 May 2010

পারাপার

পথের যেথায় শুরু, তুমি
ঠিক সেইখানে ছিলে দাঁড়িয়ে,
বলা হয় পথ চলতে যখনই
দিলে তুমি পা বাড়িয়ে
শুরুর পথে কাঁকর কেবল
রুক্ষ শুষ্ক জমি,
অনায়াস পায়ে পার হও মরু
পার হও তটভূমি
চলতে চলতে কখনো সে পথ
উষর, কখনো তাজা,
কখনো সে পথ সবুজ, কখনো
সে পথ দিয়েছে সাজা
কত শত কাঁটা বিঁধেছে যে পায়ে
হিসেব রাখেনি কেউ
কে বা রাখে খোঁজ কোন সে সাগরে
ওঠে দিনে কত ঢেউ
চলতে সে পথে এসেছে বন্ধু,
কখনো পথের সাথী,
কেউ বা দিয়েছে উজাড় করে,
কেউ চেয়েছে দুহাত পাতি
পথের বন্ধু পথেই থেমেছে,
কেউ বেঁকে গেছে পথে,
কারও বা জন্য বাহন এসেছে,
কেউ বা চড়েছে রথে
তবু তুমি ছিলে অবিচল,
তবু থামনি কখনো একা,
যাই এসে থাক বৃষ্টি বা ঝড়,
পেয়েছে তোমার দেখা
দেখেছে ঝন্ঝা, দেখেছে অবাক,
তুমি চলেছে অনির্বাণ
সবাই অন্ধ সবাই বেবাক
চলেছ হে মহাপ্রাণ
যে যখন যবে এসেছে কাছে,
করেছ তাদের দান-
হে মহাজীবন তাদের সবারে,
আবেগের অনুদান
স্রষ্টা যে তুমি সৃষ্টিরে তাই
অনায়াসে দাও প্রাণ,
তোমা দিয়ে ধোওয়া সে অববাহিকা
তোমাতেই করে স্নান
আজ তুমি ফের সে পথে দাঁড়িয়ে
যেইখানে পথ শুরু
অপার্থিব এ মায়ার বৃত্ত
এঁকে দিলে মহাগুরু
এইখানে এসে পার হয় সবে
পারানির কড়ি হাতে;
তোমার ঝুলি কড়িতে যে ভরা-
দুমুঠো প্রনাম দিলাম তাতে
লও এ প্রনাম হে মহাজীবন,
সাধ্য যে নাই আর,
এইখানে এসে পথ চলা শেষ-
বাকি শুধু পারাপার...